Previous
Next

সর্বশেষ

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০

যুক্তরাষ্ট্রে শনাক্ত করোনা রোগীর সংখ্যা ৭০ লাখ ছাড়ালো

যুক্তরাষ্ট্রে শনাক্ত করোনা রোগীর সংখ্যা ৭০ লাখ ছাড়ালো

যুক্তরাষ্ট্রে শনাক্ত করোনা রোগীর সংখ্যা ৭০ লাখ ছাড়িয়েছে। শুক্রবার দেশটির জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় এই তথ্য জানিয়েছে।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত ৭০ লাখ ৫ হাজার ৭৪৬ জন করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। দেশটিতে এ পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন ২ লাখ ৩ হাজার ২৪০ জন মানুষ।

সর্বোচ্চ করোনা রোগী শনাক্তের দিকে দিয়ে বিশ্ব তালিকায় শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত এবং তৃতীয় ব্রাজিল। করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যুর দিক দিয়েও বিশ্ব তালিকায় শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

বিশ্ব পর্যটন দিবস কাল

বিশ্ব পর্যটন দিবস কাল

 আগামীকাল বিশ্ব পর্যটন দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হবে।


জাতিসংঘ পর্যটন সংস্থা ঘোষিত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রতিপাদ্য ‘গ্রামীণ উন্নয়নে পর্যটন’।


দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা এ বছর বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রতিপাদ্য ‘গ্রামীণ উন্নয়নে পর্যটন’কে অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে মন্তব্য করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশে পর্যটনশিল্পের বিকাশে অফুরন্ত সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের পাশাপাশি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিতে হবে। একই সাথে বিশ্বদরবারে দেশের পর্যটন শিল্পকে কার্যকরভাবে তুলে ধরার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তাদের স্বতস্ফুর্তভাবে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকারের উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অদম্য বাংলাদেশের অন্যতম এজেন্ডা ‘গ্রাম হবে শহর’ যা এ বছর জাতিসংঘ বিশ্ব পর্যটন সংস্থা কর্তৃক ঘোষিত প্রতিপাদ্যের সাথে অত্যন্ত সংগতিপূর্ণ। পর্যটন বিশ্বে শ্রমঘন এবং সর্ববৃহৎ শিল্প হিসেবে স্বীকৃত।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০

ডান হাত নড়াচড়া করছেন ইউএনও ওয়াহিদা

ডান হাত নড়াচড়া করছেন ইউএনও ওয়াহিদা

দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের মাথার সেলাই কাটা হয়েছে। তিনি এখন অনেকটাই শঙ্কা মুক্ত বলে জানিয়েছেন তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান জাহেদ হোসেন।
তিনি বলেন, চিকিৎসাধীন ইউএনও ওয়াহিদা খানমের শরীরের অবশ অংশের উন্নতি হচ্ছে। তিনি অবশ ডান হাতের কনুই পর্যন্ত তুলতে ও নাড়তে পারছেন। তবে পা নাড়াতে পারছেন না। তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি ধারা অব্যাহত আছে। তাকে অনেকটা শঙ্কামুক্ত বলা যায়।

শনিবার বেলা ১১টায় ইউএনও ওয়াহিদার শারীরিক অবস্থার ও চিকিৎসা সম্পর্কে সর্বশেষ এ তথ্য জানান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের নিউরো ট্রমা বিভাগের প্রধান নিউরো সার্জন মোহাম্মদ জাহেদ হোসেন।

মেডিকেল বোর্ডের প্রধান বলেন, ‘ইউএনও ওয়াহিদার মাথায় যে অপারেশন করা হয়েছিল সেখানকার সেলাইগুলো আজকে আমরা কেটেছি। অপারেশনের জায়গাগুলো ভালো আছে। যেসব জায়গায় সেলাই কেটেছি সেসব স্থানও ভালো আছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এখনো তার সব ধরনের খাবার অ্যালাউ করিনি। তবে তিনি সলিড খাবার খাচ্ছেন। তার ব্লাড প্রেসার, সেন্স স্বাভাবিক রয়েছে।’

ইউএনও ওয়াহিদাকে এখনো বেডে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত হয়নি জানিয়ে ডা. জাহেদ হোসেন বলেন, ‘আরও দু-একদিন অবজারভেশনে রাখা হবে। আপাতত কেবিনে স্থানান্তর করছি না। কারণ তাকে কেবিনে স্থানান্তর করলে অনেক বেশি ভিজিটর এখানে ভিড় করবেন। সেক্ষেত্রে তার ইনফেকশনের শঙ্কা বেড়ে যায়। সেজন্য আমরা তার শারীরিক অবস্থা বুঝে আরও দু-একদিন পরে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেব।’

তিনি বলেন, ‘এটা বলা যায়, যেখানে তার চিকিৎসা চলছে সেটাও কেবিনের মতোই এইচডিইউ। এখানে তার উন্নত চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।’

তার অবশ ডান হাতের কনুই পর্যন্ত অংশের উন্নতি হয়েছে। আরও উন্নতির জন্য এখানে দিনে তিন-চারবার তার ফিজিওথেরাপি চলছে বলেও জানান মেডিকেল বোর্ডের প্রধান।

ইউএনও ওয়াহিদাকে শঙ্কামুক্ত বলা যায় কি-না জানতে চাইলে ডা. জাহেদ হোসেন বলেন, ‘তাকে অনেকটা আশঙ্কামুক্ত বলা যায়। তবে তিনি যেহেতু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন, সে কারণে যেকোনো মুহূর্তে যেকোনো জটিলতা তৈরি হতে পারে। সেজন্য আমরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছি। তবে এটা বলতে পারি, তার স্বাস্থ্যগত আর কোনো জটিলতা নেই। তার শুধু উন্নতির অবশিষ্ট শুধু ডান হাত ও পা। মোটামুটি তিনি শঙ্কামুক্ত।’
এবার  ভারতের সরকারি কাজে  চীনা অ্যাপ ব্যবহার নিষিদ্ধ

এবার ভারতের সরকারি কাজে চীনা অ্যাপ ব্যবহার নিষিদ্ধ

ভারত-চীন সীমান্ত সংঘর্ষের কারণে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ইতিমধ্যেই ভারতের মাটিতে চীনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এবারে সরকারি কাজে যাতে কোনভাবেই চীনা অ্যাপ ব্যাবহার করা না হয় তার জন্য দিল্লির জেলা আদালত বিজ্ঞপ্তি জারি করলো।

|
গত ১০ সেপ্টেম্বর জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অফিসের কাজের জন্য ক্যাম স্ক্যানারের মতো নিষিদ্ধ চীনা অ্যাপ ব্যাবহার করা চলবে না। দিল্লি জেলা আদালতের বিচারক মন মোহন শর্মার জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দিল্লি জেলা আদালতের ওয়েবসাইটে আপলোড করা বেশ কিছু নথি দেখে মনে হচ্ছে তা নিষিদ্ধ চীনা অ্যাপ থেকে স্ক্যান করা হয়েছে। তা পুনরায় নতুনভাবে আপলোড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আদালতের নির্দেশ অমান্য করলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, ভারতে নিষিদ্ধ ১০৬ টি চীনা অ্যাপের মধ্যে নাম রয়েছে এই ক্যাম স্ক্যানারের। যা ইতিমধ্যেই দেশের নিরাপত্তার খাতিরে নিষিদ্ধ করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

উল্লেখ্য, গত ২৯ জুন ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় চীনা অ্যাপকে নিষিদ্ধ ঘোষনা করে। ওই অ্যাপগুলি থেকে বহু অভিযোগ কেন্দ্রের কাছে আসছিলো বলে জানানো হয়।
কাউন্টারে মিলছে ট্রেনের টিকিট

কাউন্টারে মিলছে ট্রেনের টিকিট

করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ রোধে গৃহীত পদক্ষেপের অংশ হিসেবে সাড়ে পাঁচমাস বন্ধ ছিল কাউন্টারে রেলের টিকিট বিক্রি। শনিবার থেকে আবারও কমিউটার-মেইল-লোকাল ট্রেনের পাশাপাশি আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট পাওয়া যাচ্ছে কাউন্টারে।

জানা যায়, বর্তমান নিয়মে বিক্রি হওয়া ট্রেনের ৫০ শতাংশ আসনের অর্ধেক টিকিট পাওয়া যাবে কাউন্টারে। বাকি অর্ধেক ২৫ শতাংশ মোবাইল অ্যাপ, অনলাইন ও মোবাইলে ইস্যু করা যাবে।

গত সোমবার বাংলাদেশ রেলওয়ের উপ-পরিচালক (টিসি) মো. নাসির হাসান খাঁন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কোনও স্টেশনের অনুকূলে কোনও নির্দিষ্ট শ্রেণিতে বর্তমান নিয়মে বিক্রি করা মোট আসনের ৫০ শতাংশ টিকিটের সংখ্যা ছয়টির বেশি হলে কাউন্টার, অ্যাপ, অনলাইন ও মোবাইলের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে। টিকিটের সংখ্যা ছয়টির কম হলে তা শুধু অ্যাপ, অনলাইন ও মোবাইলের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে।

এক্ষেত্রে প্রতিটি ট্রেনে মোট আসন সংখ্যার ৫০ শতাংশ টিকিট থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুকূলে সংরক্ষিত ২ শতাংশ আসন বাদ দিয়ে হিসাব করতে হবে। তাছাড়া, কাউন্টার ও অ্যাপ, অনলাইন ও মোবাইল কোটায় বিক্রি না হওয়া টিকিট যাত্রার ১২০ ঘণ্টা আগে যেকোনও মাধ্যম থেকে ইস্যু করা যাবে।

এদিকে, সকাল ৮টা থেকে কাউন্টারের মাধ্যমে এবং বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী সকাল ৬টা থেকে অ্যাপ, অনলাইন ও মোবাইলের মাধ্যমে টিকিট ইস্যু করা যাবে।

সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০

উলিপুরে মাদক বিরোধী অভিযানে ৩০ পিচ ইয়াবাসহ আটক-০১

উলিপুরে মাদক বিরোধী অভিযানে ৩০ পিচ ইয়াবাসহ আটক-০১

মোঃ বুলবুল ইসলাম,  কুড়িগ্রাম জেলা সংবাদদাতাঃ কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম'র নির্দেশনায় উলিপুর থানা পুলিশ মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৩০ পিচ ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করার খবর জানা গেছে।
উলিপুর গুনাইগাছ নাগড়াকুড়া এলাকার ছক্কু মিয়ার পুত্র আশরাফুল ইসলাম (২২) কে  ৩০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট- সহ হাতে নাতে আটক করে উলিপুর থানা পুলিশ। 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার ( ৬ ই সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার সময়  উলিপুর থানার এস আই মামুনুর রশীদ, এসআই বকুল খান, এসআই সন্চয়, কনস্টেবল মজিউল ইসলাম, কনস্টেবল নুরইসলাম উলিপুর গুনাইগাছ নাগড়াকুড়া বাজার এলাকা হতে গোপনসূত্রে মাদক ক্রয়-বিক্রয় করার খবর প্রাপ্ত হয়ে উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেনের অনুমতিক্রমে অভিযান পরিচালনা করে।

মাদক ব্যবসায়ী আশরাফুল ইসলাম(২২) এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সময় পুলিশের হাতে ধৃত হয়।
পুলিশ এলাকার উপস্থিত স্বাক্ষী ও জনতার সামনে আশরাফুলের প্যান্টের পকেটে দেয়াশলাই ম্যাচ এ রক্ষিত ২০ পিচ ইয়াবা ও সার্টের সামন পকেট থেকে একই কৌশলে ম্যাচ বক্সে রাখা আরো ১০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে।

আটক আশরাফুল ইসলাম বহুদিন যাবত মাদকসেবন ও ব্যবসার সাথে জড়িত বলে জানা গেছে।
উলিপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মোয়াজ্জেম হোসেন মাদক বিরোধী অভিযানের কথা স্বীকার করে বলেন, আটক আসামীর বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রজু করে তাকে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) সারনি ১০(ক) ধারায় অপরাধ মর্মে উলিপুর থানার মামলা নং ০৬ / তাং ০৭- ০৯-২০২০ইং।

শিবগঞ্জে বারমাসি তরমুজ চাষে সফল হচ্ছে কৃষক

শিবগঞ্জে বারমাসি তরমুজ চাষে সফল হচ্ছে কৃষক

সাজু মিয়া শিবগঞ্জ (বগুড়া) সংবাদদাতাঃবগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি সমৃদ্ধ এলাকা। এখানে ধান, শাক-সবজি উৎপাদনে সফলতার পর নতুন করে যুক্ত হয়েছে তরমুজ চাষ। এখানে ব্যতিক্রমী হাইব্রিড জাতের বারমাসি তরমুজ চাষ করে এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন উপজেলার আটমুল গ্রামের কাজী সুবিদ আলীর ছেলে সোহেল রানা।

 দেশের বর্তমান করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি ও ঝড়-বৃষ্টির মধ্যেও তরমুজের চাষ করে বেশ ভালো সাফল্য পেয়েছেন তিনি। এবার সফল কৃষক সোহেল রানা মাচায় বারমাসি তরমুজ আবাদ করে এলাকায় নতুক চমক সৃষ্টি করেছেন। তাকে অনুসরন করে এলাকার আরও দু-চারজন কৃষক শুরু করেছেন হাইব্রিড জাতের বারমাসি তরমুজ চাষ।

স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার আটমুল গ্রামের অল্পশিক্ষিত কৃষক সোহেল রানা। পেশায় তিনি একজন কৃষক। নিজের সামন্য জমি চাষ করে তার সাংসার ঠিকমতো চলছিল না। ঠিক তখন তিনি তার বন্ধুর পরামর্শে ৩৩ শতাংশ জমিতে তরমুজ চাষের পরিকল্পনা করেন। ইতোমধ্যে  সোহেল রানা তার ওই জমিতে ৫৭ দিন পূর্বে জয়পুহাটের নিচিন্তা এলাকা থেকে ১ হাজার ৪’শ চারা সংগ্রহ করে শুরু করেন তরমুজ চাষ। তার লাগানো চারাগুলো থেকে তিন রকমের তরমুজ উৎপাদন হচ্ছে। তরমুজের জাতের নাম গুলোও বেশ বাহারী। একটি জাতের নাম মধুমালা,অন্যটির নাম ডোরা বাংলালিংক এবং আরেকটার নাম ব্লাক বেবি। মধুমালার উপরের রং দেখতে অনেকটা মালটার মতো। মধুমালা কাটলে ভিতরে রক্তের মতো লাল এবং খেতেও বেশ সুস্বাদু। ডোরা বাংলালিংক দেখতে সবুজ উপরে ডোরা কাঁটা দাগ আছে। ডোরা বাংলালিংক কাঁটলে ভিতরের রংটা বেশ হলুদ মালটার মতো খেতেও মজাদার। অপরটির নাম ব্লাক বেবি উপরে দেখতে কালচে সবুজ। কাঁটলে ভিতরে টকটকে লাল খেতেও বেশ।
তরমুজ লাগানোর ৫৭ দিন পর হতেই সোহেল রানা ফল তুলতে শুরু করেছেন। তিনি তরমুজ বিক্রি করছেন ৬০ টাকা থেকে ৮০ টাকা প্রতি কেজি। ৬৭ দিন পর্যুন্ত তিনি ১লক্ষ ৪২ হাজার টাকার তরমুজ বিক্রি করেছেন। এখনো তার জমিতে যে পরিমান তরমুজ আছে তাতে আরও ১ লক্ষ টাকা বিক্রি করবেন। সোহেল রানা তার ৩৩ শতাংশ জমিতে তরমুজ লাগানোর সময় খরচ করেছেন ৪০ হাজার টাকা। তরমুজ চাষ করে তার সফলতা দেখে এলাকার ছলিম উদ্দিনের ছেলে জুকু মিয়া, করব উদ্দিনের ছেলে আব্দুল হামিদসহ অনেকেই তরমুজ চাষ শুরু করেছেন।

সফল কৃষক সোহেল রানা জানান, এ ধরনের জাতের তরমুজ চাষে প্রচুর লাভ। তরমুজ মৌসুম শেষ হওয়ার পর মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মাটির ঢিবি তৈরি করে পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিয়ে এবং মাচা তৈরি করে এ তরমুজের চাষ করা যায়। মাত্র ৫৫-৬০ দিনেই এক একটি তরমুজ প্রায় আড়াই থেকে তিন কেজি ওজনের হয়। তাই এবার চিন্তা করলাম গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ করবো। চিন্তা থেকেই আমার ৩৩ শতক জমিতে গ্রীষ্মকালীন তরমুজের চাষ করি। নানা প্রতিকূলতার মাঝেও তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। করোনার কারণে কিছুটা শঙ্কা থাকলেও পরিবহণ সঙ্কট কেটে যাওয়ায় ও বাজারে তরমুজের দাম ভালো থাকায় সেই শঙ্কা কেটে যায়। এই মৌসুমে তরমুজ বিক্রি করে বেশ লাভবান হব বলে আশা করছি।  

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল মোজাহিদ সরকার  বলেন, মাচায় তরমুজ চাষ হওয়ায় ফলনও ভালো হচ্ছে। আমাদের কাছে এলে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত পরামর্শ ও সহযোগিতা দিতে পারবো। ফলন কিভাবে বৃদ্ধি করা যায় সে ব্যাপার কৃষি বিভাগের মাঠকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।